হাম (Measles) হলো একটি খুব সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি সাধারণত শিশুদের বেশি হয়, তবে টিকা না নেওয়া বড়দেরও হতে পারে।
হাম-এর কারণ
হাম হয় Measles ভাইরাস দ্বারা, যা আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়।
লক্ষণগুলো কী কী?
হাম হলে সাধারণত এই লক্ষণগুলো দেখা যায়:
- উচ্চ জ্বর (১০১–১০৪°F পর্যন্ত)
- শুকনো কাশি
- নাক দিয়ে পানি পড়া
- চোখ লাল হওয়া (conjunctivitis)
- মুখের ভিতরে সাদা দাগ (Koplik spots)
- ৩–৫ দিনের মধ্যে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি (rash)
ফুসকুড়ি সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
🩺 প্রতিকার (চিকিৎসা)
হামের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই, তবে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়:
- জ্বর কমাতে Paracetamol দেওয়া হয়
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম
- বেশি করে পানি ও তরল খাবার খাওয়া
- চোখ পরিষ্কার রাখা
- গুরুতর হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া
শিশুদের ক্ষেত্রে অনেক সময় ভিটামিন A দেওয়া হয়।
🛡️ প্রতিরোধ ব্যবস্থা
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা নেওয়া:
- MMR vaccine (Measles, Mumps, Rubella) টিকা
- সাধারণত ৯ মাস বা ১২ মাস বয়সে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়
আরও সতর্কতা:
- আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা
- কাশি/হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা
- নিয়মিত হাত ধোয়া
- আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা
⚡ কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
- শ্বাস নিতে কষ্ট হলে
- খুব বেশি জ্বর হলে
- খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে গেলে

0 মন্তব্যসমূহ